শৈলকুপায় ১ নং ত্রিবেনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আওয়ামী লীগের লড়াকু সৈনিক সাকী

অথর
জে এন এস নিউজ ডেক্স :   কুষ্টিয়া
প্রকাশিত :২০ জুন ২০২১, ৭:২৪ পূর্বাহ্ণ | পঠিত : 109 বার
শৈলকুপায় ১ নং ত্রিবেনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আওয়ামী লীগের লড়াকু সৈনিক সাকী

শোলকুপা প্রতিনিধি : ঝিনাইদহে র শৈলকুপায় ১ নং ত্রিবেনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আওয়ামী লীগের লড়াকু সৈনিক আবু সাদাত মোঃ ফেরদৌস কামাল সাকী। বসন্তপুর গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মৃত মোস্তফা কামাল কদম স্যারের একমাত্র ছেলে সাকী। তিনি ১৯৭৬ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর জন্ম গ্রহণ করেন। তাহার সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে শৈশব থেকে আজ পর্যন্ত জীবনের চলার পথে রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা কথা তুলে ধরেন। তিনি শিক্ষা জীবনের শুরু থেকেই রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য হওয়ায় ১৯৮৯ সালে ইউনিয়ন কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেন। উক্ত কমিটির নির্বাচকদের মধ্যে ছিলেন অধ্যক্ষ কামরুজ্জামান, সাজাহান সাজু,অধ্যাপক আবেদ আলী, আজগর আলী জোয়ারদার। ১৯৯১ সালে এসে,এস,সি পাশের পর কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ এ মানবিক বিভাগে ভর্তি হন। সেই সময় কলেজ সংসদের সভাপতি গাজী আনিসুর ভাই এর হাত ধরে শহরের রাজনীতি পদযাত্রা শুরু করে ন। বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগের রাজনীতির এক নতুন যাত্রার সূচনা হয়। ১৯৯৩ সালে এইচএসসি পাশের পর বি,এস,এস এ ভর্তি হন। ১৯৯৬ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এ বিএনপি ও শিবিরের হাতে রাজপথে সঃঘর্ষে পিঠে মারাত্মকভাবে জখম হন। সেই সময় থেকে ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়ায় দুই জেলার বড় মাপের আওয়ামী লীগের নেতাদের সুনজরে পড়েন। তারপর থেকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। ১৯৯৬ সালের ১৫ ই ফেব্রুয়ারী বিএনপির প্রহসনমূলক নির্বাচন এ রাজপথে সঃঘর্ষে আমাকে ১ কিমি তাড়িয়ে বেড়ায়। পরে দাদা মুক্তিযোদ্ধা মকবুল জোয়ারদার এর বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলাম। ধরতে পারলে শেষ করে দিতো। ২০০১ সালে বিএনপি শিবিরের সংঘর্ষে র সময় আমার মটরসাইকেল কেড়ে নিয়ে আমাকে নির্মম ভাবে নির্যাতন করে। পরে স্থানীয়রা তুলে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেই সময় মাস্টার্স কোর্স করতে পারিনি। ছাত্র লীগের দুর্দিনে আমি সাকী এই ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়া জেলা সহ ইবি ও শৈলকুপা থানার সমস্ত দলের এজেন্ডা আমার মাধ্যমে বাস্তবায়ন হতো। ১৯৯৬ সালে ২৬ শেষ সেপ্টেম্বর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বাঁধে, সে সময় ১৮০ জন শিবির নেতা আহত হয়। সেই থেকে দীর্ঘ দিন যাবত বিএনপির আমলে জেল খেটেছি। এই গেল ২০১৯ সালে নির্বাচন এ শেখপাড়া বাস স্ট্যান্ড এ প্রশাসন দের বিএনপি জামায়াতের নেতাকর্মীরা ধাওয়া করেছিল আমাদের নেতা কর্মীদের কাছে আশ্রয় নিয়েছিলো। এ যাত্রায় ও বেঁচে গিয়েছিলা সবাই। আমি সারাজীবন আওয়ামী লীগের রাজনীতির চেতনা যুদ্ধের সৈনিক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি। কোন পদ পদবী পাওয়ার জন্য নয়। ইবি ক্যাম্পাস এর এমন কোন ছাত্র নেতা ছিলনা আমার সামনে দাঁড়াবার মতো। আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড থেকে বিভাগীয় নেতৃবৃন্দ ও আমার সম্পর্কে জানেন। দলের জন্য আমার অবদান অধ্যক্ষ কামরুজ্জামান, অধ্যক্ষ সাজাহান সাজু, অধ্যাপক আবেদ আলী, আজগর আলী জোয়ারদার সহ এমপি আব্দুল হাই, পারভীন জামান কল্পনা সহ সবাই আমাকে ভালো ভাবে চেনেন জানেন। বর্তমান এ আমি ইবিতে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছি। এমনকি ইবিতে বঙ্গবন্ধু পরিষদের সদস্য ও ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করছি। আমি আশাবাদী বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা আমাকে ১ নং ত্রিবেনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনীত করবেন। এর সাথে আমার ইউনিয়ন বাসীর কাছে দোয়া ও ভোটপ্রার্থী।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শেয়ার করে  সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

4 × 5 =