সিভিল সার্জন সহ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ

নিউ মর্ডান প্রাইভেট হসপিটাল ও অর্থোপেডিক্স হাসপাতালের মানুষ ঠকানোর ব্যবসা

অথর
জে এন এস নিউজ ডেক্স :   কুষ্টিয়া
প্রকাশিত :১১ জুন ২০২১, ৪:১৬ অপরাহ্ণ | পঠিত : 120 বার
নিউ মর্ডান প্রাইভেট হসপিটাল ও অর্থোপেডিক্স  হাসপাতালের মানুষ ঠকানোর ব্যবসা

রুহুল আমিন ॥ করোনার এই পর্যায়ে কুষ্টিয়ায় করোনা রুগী বৃদ্ধি পাওয়ায় কুষ্টিয়া সদর হাসপাতাল কে চিকিৎসাদানে হিমসিম খেতে হচ্ছে, করোনা আক্রান্ত রুগীদের সংস্পর্শে এসে সাধারণ রুগীরা যাতে করোনা আক্রান্ত না হয় সে জন্য হাসপাতালে আসতে গুরুতর ছাড়া সাধারণ রুগীদের নিরুৎসাহিত করা হয়েছে, এই সুযোগে উৎপেতে বসে থাকা মানহীন বেসরকারি প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলো মানুষ ঠকানোর ও প্রতারণা মুলক ব্যাবসার ফাদ পেতে আছে।অতি দ্রুত স্থানীয় প্রশাসনের উচিৎ মানহীন বেসরকারি প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলো চিন্হিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যাবস্থা নেওয়া। কুষ্টিয়ার অধিকাংশ বেসরকারি প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ নতুন নয়,কিন্তু অদৃশ্য কারনে ব্যবস্থা নেওয়া হয়না কোন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে সর্বশেষ গত বছরের নভেম্বরের শেষ দিকে তৎকালীন শহরের পেয়ারাতলায় অবস্থিত পদ্মা কমিউনিটি হাসপাতাল কে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়ছিলো এবং সিলগালা করা হয়ে ছিলো।এরপর আর কোনো প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিকের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি,যদিও পদ্মা কমিউনিটি হাসপাতাল যে কারনে সিলগালা করা হয়েছিল, সেই একই কারণ বিদ্যমান শহরের অধিকাংশ বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর।গত তিন তারিখে কুষ্টিয়া শহরের লাহীনি বটতলা এলাকার নিউ মর্ডান প্রাইভেট হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং মোল্ল্যাতেঘড়িয়া এলাকার অর্থোপেডিক্স হাসপাতাল এর অনিয়ম তুলে ধরে সংবাদ প্রকাশ হলেও, তাতে দৃষ্টি পড়েনি কারো,ফলে এসব কাগজ সর্বস্ব ডাক্তার,নার্স বিহীন প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিক গুলো মানুষ ঠকিয়ে ব্যাবসা করে যাচ্ছে দেদারসে, আর আমজনতা গিনিপিগের মতো ব্যবহার হচ্ছে এসব প্রতিষ্ঠানে।এ দুটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগের ভিতরে রয়েছে প্যাথলজিক্যাল রিপোর্ট এর বিষয়ে, ঠিকঠাক পরিক্ষা নিরক্ষা না করেই আন্দাজে নরমাল রিপোর্ট প্রদান,এবং সেই ভুয়া রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে চিকিৎসা প্রদান করা, ফলে সাধারণ রুগীরা প্রতারিত হচ্ছে, চিকিৎসার জন্য মোটা টাকা ব্যায় করলেও রোগ সারছে না।অন্য দিকে এই দুই প্রতিষ্ঠানের ব্যাবসা দালাল নির্ভর ব্যাবসা,তাদের সুনামের উপর ভিত্তি করে রুগী না আসলেও, তাদের প্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন গ্রামের গ্রাম্য ডাক্তারদের বিভিন্ন ভাবে ম্যানেজ করে এই গ্রাম্য ডাক্তারদের মাধ্যমে রুগী সংগ্রহ করে,দালালদের মাধ্যমে আসা রুগীদের নিকট থেকে যে টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয় তার ৫০/৬০ভাগ টাকা নিয়ে যায় দালালরা বাকি টাকাটা যায় হাসপাতাল মালিকের পকেটে।এভাবেই এদুটো হাসপাতালে প্রতারিত হচ্ছে সাধারণ রুগীরা, অথচ এসব অনিয়ম দেখা যাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য খোজ নেই সে সব কর্তাবাবুদের। এদুটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দালালদের খুশি রাখার জন্য সুন্দরী মেয়েদের নার্স বানিয়ে রাখার অভিযোগ আছে দির্ঘদিন ধরে। তাই সুধি সমাজে প্রশ্ন উঠেছে আর কতোদিন ঘুমিয়ে থাকবে কর্তাবাবুরা, না কি এসব অনিয়মই নিয়ম হয়ে দাড়াবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শেয়ার করে  সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

1 × 4 =