ধরমপুর ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের কষ্ট মানেই আমার কষ্ট জানালেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাবুল আলম (লালু)

অথর
জে এন এস নিউজ ডেক্স :   কুষ্টিয়া
প্রকাশিত :৯ জুন ২০২১, ৯:১৮ অপরাহ্ণ | পঠিত : 31 বার
ধরমপুর ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের কষ্ট মানেই আমার কষ্ট  জানালেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাবুল আলম (লালু)

নাসিব আহমেদ নীল ॥ এমন সৎ ও কর্মঠ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে নিজেকে ইতোমধ্যে প্রমাণ করেছেন কুষ্টিয়া ভেড়ামারা উপজেলা ধরমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ শাহাবুল আলম (লালু)। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই এই ইউনিয়নকে একটা শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে, পুরো ইউনিয়ন থেকে সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূল করতে, সর্বোপরি দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন মোঃ শাহাবুল আলম (লালু। তার সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে এসেছে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলা। ধরমপুর এই ইউনিয়ন দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষের। এছাড়া রয়েছে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। ছোট ব্যবসায়ী, রিকশা-অটো চালক- যাদের প্রতিদিনের আয়ের ওপর নির্ভর করে পুরো পরিবারের সারাদিনের ভরণ-পোষণ। গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা আক্রান্তের খবর প্রকাশ হয়। এরপরই প্রাণঘাতী এ ভাইরাস নিয়ে সারাদেশের মানুষের মাঝে সচেতনতা বাড়াতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করে সরকার। করোনার কারণে বাতিল করা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উৎসব। বাতিল করা হয় ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানও শুধু তাই নয়, সরকার সারাদেশে সব ধরনের গণজমায়েতসহ এ ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক অনুষ্ঠান বাতিল করার ঘোষণা দেয় এবং অন্যদেরও নির্দেশ দেয়- অনুষ্ঠান বাতিল করার। সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে- খেটে খাওয়া, নিম্ন আয়ের মানুষের খাদ্য সঙ্কট মোকাবিলা। সারাদেশের মত একই চিত্র প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল এই ইউনিয়নও। এই সঙ্কট মোকাবিলায় প্রথম থেকেই অসহায় মানুষের ঘরে ঘরে ছুটছেন চেয়ারম্যান। অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য বিতরণে তিনটি ধাপ ইতোমধ্যে শেষ করেছেন তিনি। সরকারের দেওয়া খাদ্য সহযোগিতা পৌঁছে দিয়েছেন অসহায় মানুষের ঘরে ঘরে। নিজে ইউনিয়ন পরিষদে মানুষদের ডেকে আনেননি, জমায়েত হয়ে যাবে বলে। এতে করে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা বাড়ে। এ কারণে ত্রাণ নিয়ে, খাদ্য সহযোগিতা নিয়ে ছুটে গেছেন অসহায় মানুষের ঘরে ঘরে। নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়া এই চেয়ারম্যান দৈনিক জয়যাত্রা নিউজকে বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে আশা খাদ্য সহযোগিতা প্রদান করেছেন অসহায় মানুষের ঘরে ঘরে।তৃতীয় ধাপে তিনি নিজস্ব তহবিল থেকে নিয়মিত খাদ্য সহযোগিতা করে যাচ্ছেন অসহায়দের মাঝে। কি পরিমাণ ব্যক্তিগত তহবিল থেকে মানুষকে সহযোগিতা করছেন সে হিসাবও রাখতে পারেননি। শাহাবুল আলম (লালু) চেয়ারম্যান শঙ্কায় রয়েছেন, এখন যে পরিস্থিতি বিরাজমান, তাতে সাধারণ মানুষের নিত্যপ্রয়োজন হয়তো মিটছে। কিন্তু করোনার কারণে সৃষ্ট এই পরিস্থিতি যদি আরো দীর্ঘায়িত হয়, অন্তত আরও দুই সপ্তাহও যদি থাকে, এরপরই দেখা যাবে প্রকৃত সমস্যা। তখন অভাবী মানুষের সংখ্যা বেড়ে যাবে, দেখা দেবে হাহাকার। ওই সময়ের পরিস্থিতি সামাল দেয়াই হবে সবচেয়ে কঠিন। ধরমপুর ইউনিয়নের এই চেয়ারম্যান বলেন, ‘সরকারি সাহায্য-সহযোগিতার পাশাপাশি নিজের তহবিল থেকে যা সম্ভব হচ্ছে- তা নিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি। প্রকৃত অভাবি যারা, তারা যেন বঞ্চিত না হয়, সঠিকভাবে সাহায্য-সহযোগিতা পায়, সে চেষ্টা করে যাচ্ছি। সরকার নির্দেশিত কোয়ারেন্টাইন মেনে চলার জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছুটে বেড়াচ্ছেন ইউনিয়নের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে। কিন্তু শহরের তুলনায় গ্রামের মানুষ কিছুটা অসচেতন। এ কারণে কাজটাও কঠিন। তিনি বলেন, ‘প্রতিটি গ্রাম, পাড়া-মহল্লা, হাট-বাজারে যাচ্ছি। সরকারের নির্দেশ মেনে সুস্থ থাকার জন্য সবার কাছেই আহ্বান জানাচ্ছি। তিনি ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের কাছে আহ্বান জানান, সরকারের নির্দেশ মেনে ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন। অতি প্রয়োজন না হলে ঘর থেকে বের হওয়ার প্রয়োজন নেই। নিজের সতর্কতায় আপনার পরিবারকে রক্ষা করতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শেয়ার করে  সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

four × 4 =