এবার ফাঁস হলো সেই জনবিচ্ছিন্ন চেয়ারম্যান

জহিরুল ইসলাম জহুরের জলমহাল দখলের কাহিনী

অথর
জে এন এস নিউজ ডেক্স :   কুষ্টিয়া
প্রকাশিত :১০ জুলাই ২০২১, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ | পঠিত : 80 বার
জহিরুল ইসলাম জহুরের জলমহাল দখলের কাহিনী

ডেক্স রিপোর্ট ॥ কুষ্টিয়া সদর উপজেলার মনোহরদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ জহিরুল ইসলাম জহুরের অপকর্মের খবর দৈনিক জয়যাত্রা পত্রিকায় প্রকাশ হওয়ায় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইছে মনোহরদিয়া ইউনিয়নে, রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ ব্যাবসায়ী মহল এমন কি খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের মুখে মুখে চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জহুরের কথা। এতোদিন তার ভয়ে কেউ মুখ খোলার সাহস না পেলেও এখন মুখ খুলতে শুরু করেছে চেয়ারম্যান দারা হয়রানির স্বীকার হওয়া লোকজন। তেমনই একজন মোঃ রেজাউল ইসলাম। চেয়ারম্যান মোঃ জহিরুল ইসলাম জহুর দ্বারা ক্ষতি গ্রস্থ ব্যাবসায়ী এই প্রতিবেদককে বলেন তার কষ্টের কথা। মনোহরদিয়া ইউনিয়ন অবস্থিত রাধানগর ছয়ঘড়িয়া মরা নদী জলমহল,এটি রাধানগর ছয়ঘড়িয়া মরা নদী মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি যার রেজিষ্ট্রেশন নম্বরঃ ০২কুষ্টিয়া, এই সমবায় সমিতির সভাপতি মোঃ রেজাউল ইসলাম ও সেক্রেটারি মোঃ সোহেল রানা। এই মৎস্যজীবি সমিতির অধিনে ২০১১ সাল থেকে উক্ত জলমহলটি যথাযথ প্রক্রিয়ায় লিজ নিয়ে মাছ চাষ করে আসছিলো। এ ভাবে মাছ চাষ করে ভালোভাবেই পরিবার পরিজন সংসার চালাচ্ছিলেন ঐ এলাকার প্রকৃত মৎস্যজীবিরা,কিন্তু বিধিবাম,এসব মৎস্য চাষীদের সুখ সহ্য হলো না চেয়ারম্যান মোঃ জহিরুল ইসলাম জহুরের,তার লেলিহান দৃষ্টি পড়লো ওই জলমহালের দিকে,যে কোনো মুল্যে প্রকৃত মৎস্য চাষীদের কাছ থেকে কেড়ে নিতে মরিয়া হলেন তিনি। এ লক্ষ্যে তিনি গঠন করলেন একটি সমবায় সমিতি, সমিতির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রকৃত মৎস্যজীবি ছাড়া কেউ এ জাতীয় সমিতির সদস্য হতে পারবে না,যেহেতু চেয়ারম্যান নিজে মৎস্যজীবি নন,তাই তো তিনি নিজে এসমিতির সদস্য না হতে পারলেও তার পছন্দের লোকজন দিয়ে গঠন করলেন “মনোহরদিয়া ইউনিয়ন মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি” যার সভাপতি করা হলো রনি আহম্মেদ কে আর সেক্রেটারি হলেন অমৎস্যজীবী লিয়াকত আলী, আর সদস্য করা হলো অদৃশ্য কিছু মানুষদের যাদের অস্তিত্ব কাগজে কলমে থাকলেও বাস্তবে নেই। গত ২০ সালের ১৪ই এপ্রিল আগের সমিতির মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আবারও উক্ত জলমহাল নিলামের ব্যাবস্থা করা হয়,উক্ত নিলামে চেয়ারম্যান মোঃ জহিরুল ইসলাম জহুরের নিয়ন্ত্রাধীন অবৈধ সমিতি অধিক মুল্যে নিলামে অংশগ্রহণ করে,এবং তারা ছলচাতুরীর মাধ্যমে নিলামে জয়ীও হয়ে যায়, কিন্তু মোঃ রেজাউল ইসলাম চেয়ারম্যান মোঃ জহিরুল ইসলাম জহুরের অবৈধভাবে পরিচালিত মৎস্যজীবি সমিতির বিরুদ্ধে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করলে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় চেয়ারম্যান এর সমিতিটির কার্যক্রম বাতিল ঘোষনা করে কর্তৃপক্ষ, ফলে চেয়ারম্যান মোঃ জহিরুল ইসলাম জহুরের স্বপ্ন ভঙ্গ হয়।কিন্তু এখানেই থেমে না থেকে চেয়ারম্যান বিভিন্ন মহলে চেষ্টা তদবির করতে থাকেন, ফলে উক্ত জলমহালটি এখনো কাউকে বন্দবস্ত দিতে পারেনি প্রশাসন। বিষয়টি গড়িয়েছে হাইকোর্ট পর্যন্ত, ফলে অনিশ্চিত উক্ত জলমহলের নিলাম কার্যক্রম, এমতাবস্থায় এ সুযোগের পুরো ফাইদা তুলছে চেয়ারম্যান মোঃ জহিরুল ইসলাম জহুর, তিনি বর্তমানে উক্ত জলমহালটি দখলে রেখেছেন। (বাকী অংশ পরবর্তী সংখ্যায় দেখুন)

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শেয়ার করে  সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

2 × 2 =


আরও পড়ুন