কুষ্টিয়া জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদকের ফাইল ছবি

এমপির বাড়ির এলাকায় নৌকার প্রার্থী কেন হারলেন, সেটা দেখতে হবে!

অথর
জে এন এস নিউজ ডেক্স :   কুষ্টিয়া
প্রকাশিত :১ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:১২ পূর্বাহ্ণ | পঠিত : 357 বার
এমপির বাড়ির এলাকায় নৌকার প্রার্থী কেন হারলেন, সেটা দেখতে হবে!

তৃতীয় ধাপে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে মাত্র ৪টিতে জয় পেয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থীরা। স্থানীয় সাংসদের এলাকাতেও জয় পাননি নৌকার প্রার্থী। ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীদের এমন ভরাডুবি নিয়ে কথা বলেছেন কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসগর আলীর সঙ্গে।

তৌহিদী হাসানকে: আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের ভরাডুবি হলো। দৌলতপুরে কি নৌকা থেকে জনগণ মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন?

আসগর আলী: নৌকার জনপ্রিয়তা কমেছে, এটা আমি বিশ্বাস করি না। দৌলতপুর জায়গাটা সব সময় আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। দুর্দিনেও নেতা-কর্মীরা আওয়ামী লীগের সঙ্গে থেকেছে। জনগণ থেকেছে।

তৌহিদী হাসানকে : তাহলে ভরাডুবির কারণ কী?

আসগর আলী: আমি যেটা বুঝেছি, সেটা হলো আমাদের সমন্বয়ের অভাবেই এমনটি ঘটেছে। তা ছাড়া এটা হতো না।

তৌহিদী হাসানকে : সদরসহ আরও তিনটি উপজেলার ইউপি নির্বাচন হতে যাচ্ছে। কী ভাবছেন?

আসগর আলী: বাকি যে নির্বাচনগুলো আছে, তা অত্যন্ত সর্তকতার সঙ্গে সমন্বয় করে আমরা নৌকার বিজয় ছিনিয়ে আনব। নৌকার প্রতীক যাঁরা নিয়েছেন বা নেবেন, তাঁদের সঙ্গে সবাই মিলে কাজ করেই বিজয় ছিনিয়ে আনব।

তৌহিদী হাসানকে : আপনি কি মনে করেন, নৌকা প্রতীক যাঁরা পাচ্ছেন, তৃণমূলের কর্মীদের কাছে তাঁদের গ্রহণযোগ্যতা আছে?

আসগর আলী: অবশ্যই তৃণমূলের কাছে গ্রহণযোগ্য প্রার্থী খুঁজে বের করা হয়। আমাদের নেতা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ আছেন। উনি (হানিফ) যেটা মনে করবেন, তাঁর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আমরা ব্যবস্থা নেব, একসঙ্গে কাজ করব।

তৌহিদী হাসানকে: দলের মধ্যে বিদ্রোহী প্রার্থীদের দলেরই শীর্ষ নেতারা মদদ দিচ্ছেন, কর্মীদের এমন অভিযোগের বিষয়ে কী বলবেন?

আসগর আলী: আমার এমন কোনো ঘটনা জানা নেই। তবে কর্মীদের অভিযোগ আমলে নেব।

তৌহিদী হাসানকে: দৌলতপুরের একটি ইউনিয়ন ফিলিপনগর; যেখানে স্থানীয় সাংসদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ ১২ নেতার বাড়ি। জেলা আওয়ামী লীগের এক নেতার বাড়িও সেখানে। সেই ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হেরেছেন। এটা কেন হলো?

আসগর আলী: ওই জায়গা পুরোনো। এটা আমাদের নেতাদের দেখা উচিত, এমপির বাড়ি যে জায়গায়, সেখানে কেন এটা হলো। আমরাও দেখব, কেন এটা হচ্ছে। দলীয় ফোরামে এটা নিয়ে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেব।

তৌহিদী হাসানকে: নৌকার বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হতে যাঁরা সহযোগিতা করেছেন, তাঁদের ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থা নেবেন?

আসগর আলী: অবশ্যই। একটা জিনিস থাকা দরকার যে গঠনতন্ত্র মোতাবেক চলতেই হবে। যাঁরা ইন্ধন দিয়েছেন, দলটাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছেন; তাঁদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নিতে হবে। ব্যবস্থা নেব আশা করি। সূত্র : অনলাইন

সংবাদটি শেয়ার করুন

শেয়ার করে  সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

three × five =